দারিদ্র্য ইলমে দীন শিক্ষার্থীদের দান করার ফজিলত।

🖋️দারিদ্র্য ইলমে দীন শিক্ষার্থীদের দান করার ফজিলত।



ইলমে দীন বা ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করা ইসলামে সর্বোত্তম ও মহৎ কাজগুলোর একটি। আর যারা দীন শিখে মানুষকে সঠিক পথে পরিচালিত করে, তাদের মর্যাদা আল্লাহ তাআলা নিজেই কুরআনে ঘোষণা করেছেন—

> يَرْفَعِ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنْكُمْ وَالَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ دَرَجَاتٍ
“তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং যাদেরকে জ্ঞান দান করা হয়েছে, আল্লাহ তাদের মর্যাদা অনেক উচ্চ করবেন।”
(সূরা আল-মুজাদিলা: ১১)

ইলম অর্জনকারীদের সম্মানিত করা যেমন ঈমানদারের কর্তব্য, তেমনি তাদের সহায়তা করাও একটি মহান সওয়াবের কাজ। বিশেষ করে যারা দারিদ্র্যের কারণে ইলমে দীন অর্জনের পথে বাধাগ্রস্ত, তাদের পাশে দাঁড়ানো ইসলামী সমাজের জন্য এক মহৎ দায়িত্ব।

✓ দীন শিক্ষার্থীর মর্যাদা

অর্থাৎ, ইলমে দীন অর্জনকারী শুধু নিজেই নয়, সমাজ ও জাতির জন্য কল্যাণের বার্তা বহন করে। তিনি অন্ধকারে আলোর প্রদীপের মতো পথ দেখান। তাই যারা তাদের সহযোগিতা করে, তারা আসলে দ্বীনের সেবায় অংশ নিচ্ছে।
✓আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জ্ঞানার্জনের জন্য বের হয়েছে, সে ফিরে না আসা পর্যন্ত আল্লাহর পথেই রয়েছে। (তিরমিযী ও দারিমী)[
✓তিরমিযী ২৬৪৭,

✓ দারিদ্র্য ইলমের পথে বাধা

আজকের সমাজে অনেক তরুণ দীন শেখার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করে, কিন্তু অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে তাদের পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। কেউ মাদরাসার ফি দিতে পারে না, কেউ বই-খাতা কিনতে পারে না, কেউবা খাওয়া-দাওয়া বা পোশাকের অভাবে কষ্ট পায়। অথচ এই শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতে আলেম, ইমাম, শিক্ষক ও দ্বীনের দাঈ হবে।

✓তাদের পাশে দাঁড়ানো মানে দ্বীনের সেবা করা। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
‎حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَابْنُ، حُجْرٍ قَالُوا حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنُونَ ابْنَ جَعْفَرٍ - عَنِ الْعَلاَءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ دَعَا إِلَى هُدًى كَانَ لَهُ مِنَ الأَجْرِ مِثْلُ أُجُورِ مَنْ تَبِعَهُ لاَ يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ أُجُورِهِمْ شَيْئًا وَمَنْ دَعَا إِلَى ضَلاَلَةٍ كَانَ عَلَيْهِ مِنَ الإِثْمِ مِثْلُ آثَامِ مَنْ تَبِعَهُ لاَ يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ آثَامِهِمْ شَيْئًا ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক সঠিক পথের দিকে ডাকে তার জন্য সে পথের অনুসারীদের প্রতিদানের সমান প্রতিদান রয়েছে। এতে তাদের প্রতিদান হতে সামান্য ঘাটতি হবে না। আর যে লোক বিভ্রান্তির দিকে ডাকে তার উপর সে রাস্তার অনুসারীদের পাপের অনুরূপ পাপ বর্তাবে। এতে তাদের পাপরাশি সামান্য হালকা হবে না। (ই.ফা. ৬৫৬০, ই.সে. ৬৬১৪)
✓সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৬৬৯৭

অর্থাৎ, আপনি যদি একজন দরিদ্র শিক্ষার্থীকে দানের মাধ্যমে দীন শেখার সুযোগ দেন, এবং সে পরবর্তীতে মানুষের মাঝে ইসলাম প্রচার করে— তবে তার প্রতিটি কল্যাণকর কাজের সওয়াব আপনার আমলনামায়ও যোগ হবে।

✓ দান করার ফজিলত ও পুরস্কার

কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন—

> مَّثَلُ الَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ كَمَثَلِ حَبَّةٍ أَنبَتَتْ سَبْعَ سَنَابِلَ فِي كُلِّ سُنبُلَةٍ مِائَةُ حَبَّةٍ
“যারা আল্লাহর পথে দান করে, তাদের দৃষ্টান্ত সেই বীজের মতো যা সাতটি শীষ উৎপন্ন করে, প্রতিটি শীষে একশ’ দানা।”
(সূরা আল-বাকারা: ২৬১)

ইলমে দীন শিক্ষার্থীদের দান করা আল্লাহর পথে দানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপ। কারণ, এটি এমন এক সাদকা, যার ফল সুদূর ভবিষ্যৎ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। এক শিক্ষার্থী যদি দীন শিখে পরে সমাজে আল্লাহর আদেশ প্রচার করে, তবে প্রতিটি ভালো কাজের সওয়াব দাতার আমলনামায় যুক্ত হবে।

‎وَعَنه قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم إِذَا مَاتَ ابْنُ آدَمَ انْقَطَعَ عَمَلُهُ إِلاَّ مِنْ ثَلاثٍ : صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ، أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهِ أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهُ رواه مسلم

✓উক্ত রাবী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আদম সন্তান যখন মারা যায়, তখন তার তিন প্রকার আমল ছাড়া অন্য সব রকম আমলের ধারা বন্ধ হয়ে যায়; সাদকাহ জারিয়াহ (বহমান দান খয়রাত, মসজিদ নির্মাণ করা, কূপ খনন করে দেওয়া ইত্যাদি) অথবা ইল্ম (জ্ঞান সম্পদ) যা দ্বারা উপকৃত হওয়া যায় অথবা সুসন্তান যে তার জন্য নেক দু’আ করতে থাকে।” (মুসলিম )
✓হাদিস সম্ভার, হাদিস নং ১৫৫১

একজন দরিদ্র শিক্ষার্থীকে সাহায্য করে যদি সে দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করে, তবে তার শেখানো প্রতিটি নামাজ, রোজা, দান, দাওয়াত— সবকিছুতেই দাতার জন্য চলমান সওয়াব রয়ে যায়। এটি এক অনন্ত বিনিয়োগ, যার লাভ কখনো ফুরায় না।
✓আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : যখন তোমাদের কেউ উত্তমভাবে (সত্য ও খালিস মনে) মুসলিম হয়, তখন তার জন্য প্রত্যেক সৎ কাজের সাওয়াব দশ গুণ থেকে সাতশত গুণ পর্যন্ত লেখা হয়। আর তার অসৎ কাজ-যা সে করে থাকে, তার অনুরূপই (মাত্র এক গুণই গুনাহ) ‘আমালনামায় লেখা হয়, যে পর্যন্ত না সে আল্লাহর দরবারে পৌঁছায়। [১]
✓সহীহ: বুখারী ৪২,


🌸 রাসূল ﷺ-এর দৃষ্টিতে দীন শিক্ষার্থীদের সাহায্য

রাসূলুল্লাহ ﷺ ইলমে দীন শিক্ষার্থীদের অত্যন্ত ভালোবাসতেন। তিনি একবার বলেছেন—
 “আমি তোমাদের মাঝে শিক্ষক হিসেবে প্রেরিত হয়েছি।”
(ইবনে মাজাহ- ২২৯)
✓আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি ইল্‌ম অর্জনের জন্য কোন পথ অবলম্বন করলে তার বিনিময়ে আল্লাহ্‌ তার জান্নাতের পথ সুগম করে দেন। যার আমল তাকে পিছিয়ে রেখেছে, তার বংশগৌরব তাকে এগিয়ে দিতে পারে না।
✓সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৩৬৪৩

তিনি নিজে সাহাবায়ে কিরামকে দীন শিক্ষা দিতেন, আবার তাদের জন্য খাদ্য, আশ্রয় ও সহায়তার ব্যবস্থা করতেন। মদীনার “সুফফার আসহাব” নামে পরিচিত ছিল এমন একদল দরিদ্র সাহাবি, যারা মসজিদে নববীতে বসে দীন শিক্ষা গ্রহণ করতেন। রাসূল ﷺ নিজ হাতে তাদের জন্য খাবার পাঠাতেন, সাহাবিদের তাদের সহায়তা করতে উদ্বুদ্ধ করতেন।
✓রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন “পৃথিবী অভিশপ্ত এবং অভিশপ্ত তার সকল বস্তু। তবে আল্লাহর যিকর ও তার আনুষঙ্গিক বিষয়, এবং আলেম (দ্বীন শিক্ষক) ও তালেবে ইলম (দ্বীন শিক্ষার্থী অভিশপ্ত) নয়।” (তিরমিযী ,ইবনে মাজাহ )
হাদিস সম্ভার, হাদিস নং ১৫৫৩

এ থেকে বোঝা যায়, দারিদ্র্য দীন শিক্ষার্থীদের সাহায্য করা রাসূল ﷺ-এর সুন্নাহর অংশ।

🌼 সমাজে এর প্রভাব

যে সমাজে দীন শিক্ষার্থীদের মূল্য দেওয়া হয়, সেখানে নৈতিকতা, ন্যায়বোধ ও মানবতা বৃদ্ধি পায়। কারণ, ইলমে দীন শিক্ষার্থীরাই একদিন সেই সমাজে ইসলাম প্রচার করবে, সৎ পথ দেখাবে। যদি ধনী ও সামর্থ্যবানরা তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসে, তবে সমাজে আলোকিত মানুষ তৈরি হবে।
 “যে ব্যক্তি আলেমদের পৃষ্ঠপোষকতা করে, সে আসলে দ্বীনের দুর্গকে শক্তিশালী করে।”
অতএব, এক টুকরো রুটি, একখণ্ড জামা, একখানি বই বা কিছু অর্থ দান— সবই দ্বীনের ভিত্তিকে মজবুত করে তোলে।

‎✓সাহল ইনবু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহর শপথ! যদি তোমার চেষ্টার দ্বারা আল্লাহ একটি লোককেও হেদায়াত দেন, তবে তা হবে তোমার জন্য একপাল লাল উটের চেয়েও উত্তম।
✓সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৩৬৬১

🍌 দানের নিয়ত ও পদ্ধতি

দান করার সময় নিয়ত হতে হবে একান্ত আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। কাউকে দেখানোর জন্য বা নাম করার জন্য নয়। আল্লাহ তাআলা বলেন—
 “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের দান নষ্ট করো না এমনভাবে যে, লোক দেখানোর জন্য দান করো।”
(সূরা আল-বাকারা: ২৬৪)

অতএব, যদি কেউ দারিদ্র্য ইলমে দীন শিক্ষার্থীকে সাহায্য করে এই নিয়তে যে— “আমি আল্লাহর দ্বীনকে সমর্থন করছি”, তবে সে শুধু দানকারী নয়, দ্বীনের সহযোগী হিসেবেও গণ্য হবে।
✓মুআয বিন আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোন ইল্ম শিক্ষা দেয়, তার জন্য রয়েছে সেই ব্যক্তির সমপরিমাণ সওয়াব, যে সেই ইল্ম অনুযায়ী আমল করে। এতে আমলকারীরও সওয়াব কিঞ্চিৎ পরিমাণ হ্রাস হবে না।” (ইবনে মাজাহ , সহীহ তারগীব )
✓হাদিস সম্ভার, হাদিস নং ১৫৫৭

💐 একজন সহায়কের সওয়াবের গল্প

কেউ যদি কাউকে দ্বীনী জ্ঞান স্বীকার উদ্দেশ্যে কোন কিছু দান করে তাহলে অবশ্যই তার সওয়াব সে লাভ করবে। ধরুন,
কেউ যদি একজন দরিদ্র ছাত্রকে দীন শেখার জন্য সাহায্য করে এর বিনিময়ে কি সে পাবে?”হ্যা পাবে।
যদি কেউ আল্লাহর পথে অন্যকে কোনো ভালো কাজ বা জ্ঞান শিখিয়ে সাহায্য করে, এবং সেই জ্ঞান দ্বারা অন্য মানুষ হিদায়াত (সঠিক পথ) পায়, তাহলে সেই সাহায্যকারী ব্যক্তি তার জন্য সওয়াবের ধারাবাহিকতা (সদকা-জারিয়া) পায়, যতক্ষণ পর্যন্ত ওই হিদায়াত মানুষের মাঝে থাকে।
 এমন দান শুধু এককালীন নয়, বরং আজীবন এবং মৃত্যুর পরও সওয়াব বহন করে চলে।

🌺 আজকের সমাজে প্রয়োগ

বর্তমান যুগে অসংখ্য মাদরাসা, হাফেজিয়া মক্তব ও ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আর্থিক সংকটে ভুগছে। সেখানে দরিদ্র ছাত্রদের সংখ্যা অনেক। কেউ হাফেজ হতে চায়, কেউ আলেম, কেউ মুফতি— কিন্তু অভাবের কারণে তাদের পথ বন্ধ হয়ে যায়।

যদি সমাজের প্রতিটি সামর্থ্যবান ব্যক্তি এমন একজন শিক্ষার্থীর দায়িত্ব নেন— মাসিক কিছু টাকা, বই, পোশাক, কিংবা খাবারের সহায়তা দেন— তবে সমাজে হাজার হাজার আলোকিত আলেম তৈরি হবে, যারা কুরআন-হাদীসের আলো ছড়াবে।

💐 উপসংহার

ইলমে দীন শিক্ষার্থীদের দান করা কোনো সাধারণ দান নয়; এটি সাদকায়ে জারিয়া, দ্বীনের সেবা, এবং মানবতার সহায়তা— তিনটিই একসাথে।

যে ব্যক্তি এমন একজন শিক্ষার্থীকে সাহায্য করে, সে আসলে এমন এক কাজ করে যা কিয়ামত পর্যন্ত চলবে। কারণ, সে যে জ্ঞানের আলো জ্বালাতে সাহায্য করেছে, সেই আলো নিভে যাবে না যতক্ষণ পৃথিবীতে আল্লাহর নাম স্মরণ করা হয়।
✓রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“যে কল্যাণের পথ দেখায়, সে কল্যাণকারী ব্যক্তির সমান সওয়াব পাবে।”
(সহীহ মুসলিম)
تعاونوا على البر والتقوى وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى الْإِثْمِ والعدوان তোমরা সৎকাজে একে অপরের সাথে সহযোগিতা কর 
এবং পাপ ও সীমালঙ্ঘনের কাজে সহযোগিতা করো না।
(আল কোরআন)
অতএব, আসুন আমরা সামর্থ্য অনুযায়ী ইলমে দীন শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াই, তাদের জীবন ও শিক্ষার আলো জ্বালাতে সাহায্য করি। এটি কেবল মানবতা নয়, বরং জান্নাতের পথে এক মহৎ বিনিয়োগ।

শেষ কলমে, মাওলানা মোঃ ফরিদুল ইসলাম
প্রভাষক হাদীস পরানপুর কামিল মাদ্রাসা মান্দা নওগাঁ।
তারিখ:১৫/১১/২০২৫
Copyright ©️ All rights reserved by author maulana MD FARIDUL Islam.

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ