জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে রোগী হয়রানি রুম নং-১০ এ সিরিয়াল ব্যবসা ও দুর্নীতির অভিযোগ তারিখ:০৯/০৯/২০২৫
জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে রোগী হয়রানি
রুম নং-১০ এ সিরিয়াল ব্যবসা ও দুর্নীতির অভিযোগ
তারিখ:০৯/০৯/২০২৫
জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল থেকে
জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে রোগীদের সাথে অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতালের রুম নং-১০ ওয়ার্ডে সিরিয়াল মেইনটেইনকারীরা রোগীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে সিরিয়ালে অগ্রাধিকার দেওয়া ও অসদাচরণ করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা
আজকে হাসপাতালে উপস্থিত এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, দুইজন সিরিয়াল মেইনটেইনকারী দীর্ঘদিন ধরে রোগীদের হয়রানি করে আসছে। এছাড়া ও বিভিন্ন টেষ্ট ও রিপোর্টের নামে কিছু অসাধু কর্মকর্তা গোপনে অর্থ আদায় করে ।রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের পাশাপাশি অকথ্য ভাষায় গালাগালি করছে এবং ডাক্তারের রুমে ঢোকার সময় নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে রোগীদের।
কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া
অভিযোগের বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে সচেতন মহল বলছে, জেলা সদর হাসপাতালের মতো প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনিয়ম অগ্রহণযোগ্য এবং দীর্ঘদিন ধরে চলা এসব কার্যক্রম দায়িত্বহীনতারই বহিঃপ্রকাশ।
প্রেক্ষাপট ও বিশ্লেষণ
বাংলাদেশে দিন দিন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে। অপরদিকে শহরের আনাচে-কানাচে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠছে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এখানে চিকিৎসা গ্রহণ করা ব্যয়বহুল।এতে করে দরিদ্র ও মধ্যবিত্তরা সরকারি হাসপাতালের উপর নির্ভর করছে। কিন্তু সেখানে গিয়েও তারা হয়রানির শিকার হচ্ছে।
জনগণের প্রতিক্রিয়া
জামালপুরের সাধারণ মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষ মনে করছেন, সরকারি হাসপাতালই তাদের চিকিৎসার শেষ ভরসাস্থল। এখানে যদি দুর্নীতি, প্রতারণা ও হয়রানি চলতে থাকে তবে দরিদ্র জনগোষ্ঠী মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
করণীয়
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সরকারি হাসপাতালগুলোতে অনিয়ম, দুর্নীতি ও সিরিয়াল ব্যবসা বন্ধে জরুরি ভিত্তিতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। অন্যথায় সরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি জনগণের আস্থা আরও কমে যাবে।
Copyright ©️



মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন