প্রবন্ধ:তাকওয়াবান মানুষ কখনো অন্যায় করে না, রচনায়: মাওলানা মোঃ ফরিদুল ইসলাম 🌺 তারিখ:২৩/০৯/২০২৫

 

প্রবন্ধ:তাকওয়াবান মানুষ কখনো অন্যায় করে না

তাকওয়া মানুষের চরিত্র গঠনের মূল ভিত্তি। আল্লাহর ভয় ও সন্তুষ্টির আকাঙ্ক্ষা যখন অন্তরে জাগ্রত হয়, তখন মানুষ অন্যায় ও অনৈতিকতা থেকে নিজেকে দূরে রাখতে সক্ষম হয়। তাকওয়া শুধু নামাজ, রোজা বা ইবাদতের সীমাবদ্ধতা নয়; বরং তা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সৎ, ন্যায়পরায়ণ ও বিশ্বস্ত থাকার শিক্ষা দেয়।

যে মানুষ সত্যিকার তাকওয়াবান, সে কখনো মানুষের ক্ষতির বিনিময়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করতে চায় না। চিকিৎসক হয়ে মিথ্যা কথা বলে অযথা সিজারিয়ান করানো, রোগীকে অতিরিক্ত পরীক্ষার বোঝা চাপিয়ে দেওয়া তাকওয়ার পরিপন্থী কাজ। তেমনি প্রকৌশলী হয়ে লোহার বদলে বাঁশ ব্যবহার করে মানুষের জীবনকে বিপদে ফেলা কোনো ঈমানদারের কাজ নয়। কারণ এ ধরনের প্রতারণা শুধু মানুষকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে না, বরং আল্লাহর কাছে গুনাহ ও বড় জুলুম হিসেবে গণ্য হয়।

কুরআনে আল্লাহ বলেন, “নিশ্চয় আল্লাহ তাকওয়াবানদের সাথে আছেন।” (সূরা নাহল: ১২৮)। অর্থাৎ তাকওয়াবানদের প্রতিটি পদক্ষেপে আল্লাহর সাহায্য থাকে। তাই যারা অন্তরে আল্লাহর ভয় ধারণ করে, তারা কখনো অন্যকে প্রতারিত করে না, কারো ক্ষতি সাধন করে না।

সমাজে সত্যিকারের শান্তি, নিরাপত্তা ও আস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হলে তাকওয়া অনুশীলন করা আবশ্যক। আল্লাহভীরু মানুষই হতে পারে প্রকৃত ডাক্তার, প্রকৃত ইঞ্জিনিয়ার, প্রকৃত শিক্ষক ও সেবক। তাকওয়ার আলোকে গড়ে ওঠা জীবনই মানবতার কল্যাণ বয়ে আনে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পথ সুগম করে।

শেষ কলমে, মাওলানা মোঃ ফরিদুল ইসলাম

copyright ©️ All rights reserved by author

 maulana MD FARIDUL Islam 

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ